বিদেশে পড়াশোনার সঙ্গে কাজের সুযোগ আছে যেসব দেশে

বিদেশে পড়াশোনা নিজ অর্থ খরচে বা স্কলারশিপে পড়া যায়। বিশদ পড়াশোনা বা গবেষণার জন্য অনেকেই বিদেশে পাড়ি দিতে চান। তবে সংশ্লিষ্ট দেশের সংস্কৃতি, খরচ, শিক্ষার মান যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার। আবার কিছু দেশে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি মেলে কাজের সুযোগ। পড়াশোনার জন্য গন্তব্যে হতে পারে এসব দেশও। সেগুলো সংক্ষেপে শিক্ষার্থীদের জন্য তুলে ধরা হলো—

জার্মানি

সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজের সুযোগ পাবেন জার্মানিতে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীরা। যাঁরা পূর্ণ দিবস কাজের সুযোগ পান, তাঁরা বছরে ১২০ দিন কাজ করতে পারেন এ দেশে। আর যাঁরা খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ পান, তাঁরা বছরে ২৪০ দিন কাজ করতে পারেন পড়াশোনা ফাঁকে।

অস্ট্রেলিয়া

উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যতম জনপ্রিয় দেশ অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যাওয়ার ভিসা পাওয়া তুলনামূলক সহজ। পাশাপাশি দেশটিতে পড়াশোনার সঙ্গে আছে খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ। নতুন অর্থবছরে (শুরু ১ জুলাই) শিক্ষার্থীদের কর্মঘণ্টা বাড়ছে। আগে সপ্তাহে ২০ কর্মঘণ্টাকে বাড়িয়ে ২৪ ঘণ্টা করা হয়েছে। এ সুযোগ বহাল থাকবে এ বছরের শেষ পর্যন্ত।

কানাডা

এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, প্রতি পাঁচ শিক্ষার্থীর মধ্য চারজনই কানাডায় পড়তে যেতে আগ্রহী। কানাডায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যাম্পাসে বা বাইরে খণ্ডকালীন কাজ করার জন্য ওয়ার্ক পারমিটের প্রয়োজন নেই। শিক্ষার্থীরা খণ্ডকালীন কাজ করতে পারেন। শিক্ষার্থীরা তাঁদের একাডেমিক প্রোগ্রাম চলাকালে সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন। একাডেমিক বিরতির সময় পূর্ণ সময় কাজ করার সুযোগ আছে। স্নাতক শেষে বা পড়াশোনা শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য দেশটির জনপ্রিয় পোস্টগ্র্যাজুয়েশন ওয়ার্ক প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করতে পারেন।

যুক্তরাজ্য

বিশ্বের বড় বড় খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে যুক্তরাজ্যে। পড়াশোনার পাশাপাশি বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কাজের সুযোগও আছে দেশটিতে। পূর্ণ সময়ের বিদেশি শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নের শর্তে প্রতি সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত এবং কোর্স বিরতির সময় বা একাডেমিক প্লেসমেন্টের অংশ হিসেবে খণ্ডকালীন কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পড়া শেষে গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের ওয়ার্ক ভিসায় দুই বছর পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ দেয় দেশটি।

আয়ারল্যান্ড
একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব ও ব্যতিক্রমী জীবনমানের কারণে আয়ারল্যান্ড শিক্ষার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। কানাডা, যুক্তরাজ্যের মতো এখানে পড়াশোনার ফাঁকে প্রতি সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ আছে। গ্রীষ্ম ও শীতের ছুটিতে প্রতি সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা পর্যন্ত খণ্ডকালীন কাজ করতে পারেন শিক্ষার্থীরা। এ ক্ষেত্রে বৈধ অভিবাসন স্ট্যাম্প টু প্রয়োজন। পড়া শেষে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্নাতকের পর ১২ থেকে ২৪ মাস কাজ করার অনুমতি ও সুযোগ আছে।

তথ্যসূত্র: এডুকেশন ডটকম ও হিন্দুস্তান টাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *