‘শিক্ষামন্ত্রীর উস*কানিতেই শিক্ষকরা বিক্ষুব্ধ’

মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের দাবি আন্দোলনরত শিক্ষকদের নেতা ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির (বিটিএ) সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শেখ কাওছার আহমেদ বলেছেন, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মন্তব্য করেছেন শিক্ষকদের আন্দোলনে বাইরের উসকানি আছে। তবে, মাননীয় মন্ত্রী বাইরের উসকানিতে নয়, আপনার উসকানিতেই শিক্ষকরা আরো বেশি বিক্ষুব্ধ, আরো বেশি আহত। মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন, আন্দোলন থেকে অনেক শিক্ষক চলে গেছেন যারা আছেন তারাও চলে যাবেন। মাননীয় মন্ত্রীকে বলতে চাই, আপনি আসুন, দেখুন অথবা সরকারি এজেন্সি পাঠান। কদম ফোয়ারা থেকে পল্টন পর্যন্ত শিক্ষকদের অবস্থানে আজ কানায় কানায় পূর্ণ। দেখবেন আপনার কথা সত্য, না রাজপথে যা দেখা যাচ্ছে তা সত্য।

মঙ্গলবার দুপুরের মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে বিটিএর ব্যানারে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শিক্ষকদের ১৫তম দিনের অবস্থান কর্মসূচি চলছে। এদিন দৈনিক শিক্ষাডটকমের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন বিটিএ সাধারণ সম্পদক।

মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে গত ১১ জুলাই থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। এ আন্দোলনের পেছনে উসকানি আছে বলে গতকাল সোমবার মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তবে মন্ত্রীর এ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ আন্দোলনরত শিক্ষকরা।

অধ্যক্ষ শেখ কাওছার আহমেদ আরো বলেন, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে বলতে চাই, উসকানিমূলক কথাবার্তা না বলে দয়া করে শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করুন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বুঝান। আপনি বললেই প্রধানমন্ত্রী বুঝবেন। আমরা বিশ্বাস করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব বিষয়ে অবগত আছেন। আমরা জাতীয়করণের দাবি নিয়ে কথা বলতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৫ মিনিট সময় চেয়েছি। কিন্তু আমাদের মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার মূলবাধা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী। তার কথায় মনে হচ্ছে তিনি হয়তো শিক্ষকদের আন্দোলনের বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বোঝাচ্ছেন।

তিনি বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা জাতীয়করণ শিক্ষকদের প্রাণের দাবি। এ দাবি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের রুটি-রুজির। একই পাঠ্যক্রম পড়ানো হলেও সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছে বৈষম্য। হুমকি বা চাপ দিয়ে এ আন্দোলন থেকে শিক্ষকদের দমানো যাবে না। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর আন্দোলনে আসা শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করছে। ডিজি স্যারকে বলতে চাই, স্যার আমরা শিক্ষা ভবনের পাশেই আছি। আপনি আমাদের জন্য একটি হাজিরা খাতা খুলুন। আমরা সেখানে যেয়ে হাজিরা দিয়ে আসবো। আপনার কষ্ট করে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে না।

শিক্ষার সব খবর সবারআগে জানতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেলের সাথেই থাকুন। ভিডিওগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে সয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিওগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

দৈনিক শিক্ষা ডটকমের ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *